Environmental Policy | Bangla | Download

Environmental Policy | Bangla | Download

Environmental Policy |পরিবেশ সংক্রান্ত নীতি

কমপ্লায়েন্স বাংলাদেশ .কম । ComplianceBangladesh.com (কোম্পানীর নাম) পরিবেশ সংরক্ষনের দেশের বিদ্যমান পরিবেশ আইনের আলোকে এবং ক্রেতাদের চাহিদার ভিত্তিতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণ করে থাকে।নিম্নোক্ত পদ্ধতিসমূহ কমপ্লায়েন্স বাংলাদেশ.কম । কমপ্লায়েন্স বাংলাদেশ .কম । ComplianceBangladesh.com (কোম্পানীর নাম) উত্তরা, গাজীপুর, বাংলাদেশ এলাকায় অবস্থিত অত্র কোম্পানীর জন্য প্রযোজ্য হবে যা, পরিবেশ সংরক্ষণ সংক্রান্ত প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালা (Environmental Policy) বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনুসরণ করা হয়।

পদ্ধতিঃ

১। পরিবেশগত ছাড়পত্রঃ

ক) প্রতিটি প্লান্ট/ কারখানা চালুর পূর্বেই প্রযোজ্য ক্ষেত্রে যথাযথ আবেদন পূর্বক গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর হতে পরিবেশগত ছাড়পত্র সংগ্রহ করতে হবে। ( environmental policy )

২। বায়ু দূষণ রোধ সংক্রান্ত নীতিমালাঃ environmental policy

ক) কারখানার অভ্যন্তরে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সম্মত গ্রহনযোগ্য মাত্রার পর্যাপ্ত বায়ু সঞ্চালন নিশ্চিত করতে হবে;

খ) কারখানার সৃষ্ট দূষিত ধোঁয়া দ্বারা পারিপার্শ্বিক বায়ু দূষণ করা যাবে না;

গ) একান্তই দূষিত ধোঁয়া নিঃসরনের প্রয়োজন হলে তা নিয়ন্ত্রনের মধ্যে রাখতে হবে এবং লক্ষ্য রাখতে হবে যে, উহা যেন কারখানার শ্রমিক ও স্থানীয় জনসাধারনের স্বাস্থ্য হানির কারণ না হয়;

ঘ) গার্মেন্টস বর্জ্য ধোঁয়া স্বাস্থ্যসম্মতভাবে কর্মরত শ্রমিকদের নিকট থেকে যথা সম্ভব নিরাপদ দুরত্বে নির্গমন করতে হবে;

ঙ) কারখানার ডাস্ট, ধুলা, বর্জ্য এবং কেমিক্যাল হতে নিঃসরিত গ্যাস মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর বিধায় তা নিয়মিতভাবে অপসারন করার ব্যবস্থা করতে হবে;

চ) লোকালয় বা জন সমাগমের স্থানে কোন কেমিক্যাল বা পচনশীল বর্জ্য ফেলা যাবে না;

ছ) শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসম্মত বাতাস প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে কারখানার ভিতরে বা কোন বদ্ধ স্থানে পর্যাপ্ত এক্সজষ্ট ফ্যানের ব্যবস্থা করতে হবে;

জ) দূর্ঘটনা জনিত কারণে কখনো বায়ু দূষণ ঘটলে তা কারখানা ও স্থানীয় লোকজনকে দ্রুত অবগত করনের মাধ্যমে জরুরী ভিত্তিতে দূর্ঘটনার স্থান থেকে সরানোর ব্যবস্থা করতে হবে;

ঝ) গার্মেন্টস কারখানার সুইং সেকশনে উড়ন্ত তন্তুজ কণা ব্যাপকভাবে বায়ু দূষণ ঘটায়, বিধায় কার্যরত সকলকে অবশ্যই মাস্ক  পরিধান করতে হবে;

ঞ) এ ছাড়াও গার্মেন্টস বিভাগের সকল ফ্যাক্টরীতে কাজের সময় সকলকে মাস্ক পরিধান করতে হবে;

ট) বায়ু দূষণ ও এর প্রতিরোধ সম্পর্কে সকল স্তরের কর্মচারীদের অবহিত করতে হবে। দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল সেকশন ইনচার্জগণ এ ব্যাপারে মূখ্য ভুমিকা পালন করবেন এবং নিয়মিত প্রচার ও প্রেষণার ব্যবস্থা করবেন।

৩। পানি দূষণ সংক্রান্ত নীতিমালাঃ(Environmental Policy)

ক) কারখানায় কর্মরত কর্মকর্তা বা কর্মচারীদেরকে সার্বক্ষনিকভাবে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হয় এবং তা পানির সুপেয়তা পরীক্ষা বাংলাদেশের সরকারী বা সরকার অনুমোদিত কোন পরীক্ষাগারে হতে করা হয়;

খ) কখনো স্থানীয় জনসাধারন বা সরকারী কর্তৃপক্ষ হতে অত্র কোম্পানীর বিরুদ্ধে পানি দূষণের অভিযোগ উত্থাপিত হলে পরিচালক তা দ্রুত রোধ করার ব্যবস্থা করবেন এবং পরবর্তীতে একটি তদন্ত পর্ষদ গঠনের মাধ্যমে উহার সঠিক কারণ ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

৪। শব্দ দূষণ রোধ সংক্রান্ত নীতিমালাঃ (Environmental Policy)

ক) কারখানার যে সকল মেশিন উচ্চ শব্দ সৃষ্টি করে সেগুলো এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যেন সেস্থানে কর্মরত বা আশেপাশের লোকদের ক্ষতিগ্রস্থ না করতে পারে;

খ) যে সকল মেশিন চালনার সময় মানব দেহের গ্রহনযোগ্য মাত্রার (৮০ ডি বি) চেয়ে বেশী শব্দ সৃষ্টি করে, সে সকল মেশিনের অপারেটরদের উক্ত শব্দ মাত্রা প্রতিরোধকারী হেড সেট (Ear Plug) ব্যবহার করতে হবে;

গ) উক্ত মেশিন সন্নিবিশিত কারখানায় পরিদর্শনকারী দর্শনার্থী বা কর্মকর্তাগনের জন্য অতিরিক্ত আরো ০৫ (পাঁচ) টি হেড সেট (Ear Plug) সংরক্ষন করতে হবে;

ঘ) সকল কারখানার ফ্লোরগুলোতে কোন ভারী যন্ত্র চালনা, ব্যবহার, সরানো বা প্রতিস্থাপনের সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, সৃষ্ট শব্দ যেন মাত্রাতিরিক্ত শব্দ দূষণ না ঘটাতে পারে;

ঙ) কাজের সময় কর্মীরা অযথা গল্প, কথাবার্তা বা চেঁচামেচি করবে না। এতে উক্ত ফ্লোরে শব্দ দূষনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এ ব্যাপারে সেকশন ইনচার্জ, লাইনচীফ, সুপারভাইজারগণ প্রতিনিয়ত দৃষ্টি রাখবেন;

চ) কারখানা এলাকায় যানবাহন সমূহের হর্ণ বাজানো সীমিত রাখতে হবে এবং মেইন গেটের পার্শ্ববর্তী এলাকা ব্যতিত অন্যান্য এলাকায় হর্ণ বাজানো নিষিদ্ধ।

ছ) একই বিল্ডিং বা ইমারতের বিভিন্ন ফ্লোরে গার্মেন্টস কারখানা ও শব্দ সৃষ্টিকারী কোন ইউনিট অবস্থান করলে সর্বদা লক্ষ্য রাখতে হবে যে, এগুলো যেন শব্দ দূষণ সৃষ্টি করে অন্যান্য কারখানার কর্মীদের কাজে কোনরূপ অসুবিধা সৃষ্টি না করতে পারে।

৫। ঝুট ও অন্যান্য পচনশীল ও অপচনশীল বর্জ্যরে অপসারণ সংক্রান্ত নীতিমালাঃ (Environmental Policy)

ক) সকল গার্মেন্টস ইন্ডাষ্ট্রির ছেড়া/অবশিষ্ট বর্জ্য কাপড় বা ঝুট, পলিব্যাগ, কার্টুন ও অন্যান্য আবর্জনা বর্জ্য ফেলার নির্দিষ্ট স্থানে জমা করতে হবে ।

খ) সকল ঝুট বস্তায় ভরে জমা রেখে অতি সত্বর নিয়ম মোতাবেক বিক্রয় করতে হবে;

গ) পলিথিন জাতীয় কোন বর্জ্য পোড়ানো যাবে না বা নদীতে ফেলা যাবে না;

ঘ) যে কোন ধরনের বর্জ্য, পচনশীল বা অপচনশীল বর্জ্য খোলাভাবে ফেলে রাখা যাবে না; কোন ঢাকনাযুক্ত বা ঢাকনাহীন ডাষ্টবিনে জমা করতে হবে;

ঙ) ঝুট বিক্রির পর অবশিষ্ট বিক্রয় অযোগ্য আবর্জনা/বর্জ্য পদার্থ বর্জ্যবাহী গাড়ীতে করে বর্জ্য ডাম্প করার স্থানে ফেলে আসার ব্যবস্থা করতে হবে;

চ) বিভিন্ন নির্মিতব্য বিল্ডিং/ ইমারত অথবা কারখানা সংস্কারের কাজে ব্যবহৃত নির্মান সামগ্রীর উছিষ্ট আবর্জনা নির্মানকারী কোম্পানী/ সংস্থার নিজ দায়িত্বে অপসারন করতে হবে।

ছ) কারখানার ডাক্তার রুম/ মেডিকেল রুম হতে যে সকল বর্জ্য তৈরি হয় তা নিকটস্থ যে হাসপাতালের সাথে সার্ভিস চুক্তি আছে তাদের মাধ্যমে অপসারণ করা হয়।

৬। অপচয় রোধ নীতিমালাঃ (Environmental Policy)

ক) পানি:

১. বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে এবং পানি যেখানে সেখানে ফেলা যাবে না। গ্যাস বা প্লেট ধোয়ার জন্য অতিরিক্ত পানি নষ্ট করা যাবে না। পানির টেপ অবশ্যই বন্ধ রাখতে হবে;

২. বাথরুম বা টয়লেটের পানির কলগুলো ব্যবহারের পর অবশ্যই বন্ধ করে দিতে হবে এবং কোথাও পানির পাইপে লিকেজ হলে তা কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে।

৩. হাত ধোয়ার বেসিনে এবং ডাইনিং হলে ব্যবহারের পর অবশ্যই পানির কল বন্ধ করে দিতে হবে।(Environmental Policy)

খ) বিদ্যুৎঃ

১. যেখানে যতটুকু বিদুতের প্রয়োজন ততটুকু বিদ্যুৎই ব্যবহার করবে। অপ্রয়োজনে বাতি, ফ্যান বা এসি চালু/খোলা রাখা যাবে না।

২. কখনো মেশিনের সুইচ অন করে মেশিন ত্যাগ করা যাবে না। মেশিন হতে উঠে গেলে অবশ্যই মেশিনের বিদ্যুৎ কানেকশন অফ করে দিতে হবে;

৩. ছুটির পরে বা আহার বিরতির সময় অবশ্যই বাতি ফ্যান অফ করে দিতে হবে যাতে অযথা বিদ্যুৎ ব্যয় না হয়;

৪. প্রয়োজনে এনার্জি সেভিং বাল্ব ব্যবহার করে বিদ্যুৎ ব্যয় কমানো যেতে পারে।

গ) এক্সেসরিজঃ

১. গামেন্টস্ এ এক্সেসরিজ লাগানোর পূর্বেই এর সঠিক রং, সাইজ ও অন্যান্য জিনিস নির্ধারণ করে এক্সেসরিজ লাগাতে হবে যাতে ভুল না হয় এবং বেশী না লাগে বা না বদলাতে হয়।

২. অতিরিক্ত এক্সেসরিজ গুলো যাতে এখানে সেখানে না পরে থাকে এবং এগুলো নির্দিষ্ট একটি পাত্রে রেখে পুণঃ ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে।

ঘ) বস্তুর পুণঃ ব্যবহারঃ

১. কারখানার অনেক জিনিস বা বস্তু আছে যা পুণঃ ব্যবহার করা যায়। সুতরাং ঐগুলি যাতে পুণঃ পুণঃ ব্যবহার করা যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। যেমন- সুতা, গামটেপ, পলিথিন ইত্যাদি।

২. কাগজ যথাসম্ভব উভয় পৃষ্ঠা ব্যবহার করতে হবে।

উপসংহারঃ

শুধু প্রশাসনের পক্ষে এককভাবে পরিবেশ সংরক্ষন করা সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে সকল স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে মনোযোগী ও আন্তরিক হতে হবে। কারখানা এলাকায় দূর্ঘটনাজনিত কারণে অতি দ্রুত পরিবেশ বিনষ্ট হবার আশংকা থাকে বিধায় এ ব্যাপারে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। এ ছাড়াও ফ্যাক্টরীর দূর্ঘটনাজনিত কারণে পরিবেশ বিপর্যয় এড়াতে বিস্তারিত নির্দেশাবলী প্রণয়ন করবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে তা, নিয়মিত অবহিত রাখতে হবে; কোন সেকশন ইনচার্জ যদি কখনো খেয়াল করেন যে তার দায়িত্বাধীন এলাকা কোন পরিবেশ দূষণ করছে তবে তৎক্ষনাৎ তিনি তা ম্যানেজার (এইচ আর এন্ড কমপ্লাইন্স) এর সাথে আলোচনা সাপেক্ষে প্রতিকারের ব্যবস্থা করবেন ।

(Environmental Policy)

Environmental Policy ” নিম্ন বাটনে ক্লিক করে  ডাউনলোড করে নিন।

Environmental Policy ” 

আরও নতুন পোস্ট

About The Author

Rakib Sarowar

Rakib Sarowar is the founder and lead author of the Compliance Bangladesh. His passion for helping people in all aspectes of Compliance Related Issues. He is very keen to learn new things, especially Technology. In addition to write for CB, Rakib also engage as a Deputy Manager- Compiance & Industrial Safety in a multinational RMG complany.

Leave a Reply

আমাদের সাথে থাকুন